logo

রোগ বিবরণী ( লেখকের অনুমতিক্রমে প্রচারিত)

জরুরী প্রয়োজনে: ০১৭২৯১১৭৩৪৭

ডা. এ আর খান -

চর্মরোগ চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি অদ্বিতীয় -

মানব দেহকে মহান আল্লাহতায়ালা মাংসপেশী, অস্থি ও অস্থিসন্ধি দিয়ে উত্তম কাঠামোতে তৈরী করেছেন। এ মাংসপেশী, অস্থি ও অস্থিসন্ধিকে সুরক্ষার জন্য সুন্দর করে ঢেকে দিয়ে রক্ষার ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন। এটা মানব জাতির প্রতি মহান সৃষ্টিকর্তার অসীম করুণা ও রহমত। আল্লাহর সকল সৃষ্টির মধ্যে মানবকেই সবচেয়ে উত্তমরূপে সৃষ্টি করেছেন। শরীরের বহিরাবরণ যা শরীরকে আবৃত রাখে এবং শরীরকে বিভিন্ন পারিপাশির্^ক অবস্থা থেকে বিভিন্ন আঘাত থেকে শরীরকে রক্ষা করে তাই চর্ম (skin)। মানব দেহের মোট ওজনের ১৬% চর্ম (skin)। চর্ম (skin) এর কাজ : ক) দেহের মাংস, অস্থি ও অস্থিসন্ধি ইত্যাদি আবৃত রাখা। খ) দেহকে বিভিন্ন প্রকার আঘাত এবং রোগজীবাণুর ক্ষতিকর দিক থেকে রক্ষা করা। গ) শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। ঘ) ঘর্ম গ্রন্থির ((Sweat gland)) এর মাধ্যমে ঘর্ম বের করে দেওয়া। ঙ) সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা। চ) সঞ্চিত চর্বি () দেহের প্রয়োজনে শক্তির যোগান দেয়া। মানব শরীরের চর্মে বিভিন্ন প্রকারের রোগ হতে পারে যেমন- হাম, বসন্ত, আঁচিল, টিউমার, দাঁদ, একজিমা, সোরাইসিস, ছুলি, লিউকোডার্মাসহ চর্ম ক্যন্সার (ংশরহ পধহপবৎ) ইত্যাদি। এ সকল রোগের ফলে চর্ম ঠিক তার মত কাজ করতে পারে না বিধায় মানব শরীরে বিভিন্ন অসুস্থ্যতা বোধের সৃষ্টি হয়ে থাকে। চর্ম রোগ হলে অনেকেই কোন চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই বিভিন্ন মলম দিয়ে থাকেন। এমনিভাবে বিভিন্ন মানের মলম ব্যবহারের ফলে এক সময় দেখা যায় চর্ম ক্যান্সার হয় অথবা দুরারোগ্য চর্ম রোগ হয় যা ২০-৩০ বৎসর ধরে রোগী বয়ে চলে। এমনকি এক দূরারোগ্য চর্ম রোগের রোগী গত ১০-১১-২০০৬ ইং তারিখ চিকিৎসার জন্য আসেন। নিম্নে তার সংক্ষিপ্ত কেস হিষ্ট্রি ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা আপনাদের সামনে তুলে ধরা হলঃ- বর্তমান কষ্টঃ শ্বাস কষ্ট আজ প্রায় ১৫-২০ বৎসর। বুকের মধ্যে চাপবোধ, বুকে হাঁপানির মত শব্দ। রাত্রে বেশি হয়। রাত্রে ঘুমানোর পর ঘুম ভেঙ্গে যায়। গরম কিছু খেলে কাশি কমে। কাশির সময় মনে হয় বুকের মধ্যে ছিলে গেছে। প্রায় ৪৬-৪৭ বৎসর যাবৎ। ক্ষত স্থান খসখসে ফাঁটা ফাঁটা শুষ্ক, চুলকায়। চুলকানোর পরে আঠালো রস বের হয়। রক্ত বের হয়। পরে সাদা রস বের হয়। রক্ত বের হয়। রস আঠালো। ত্বকে সামান্য আঘাত, ক্ষত ও পুঁজ হয়। মামড়ি পড়ে, মোটা মোটা ফাঁটা ফাঁটা, পায়ের তলায় ফাঁটা ফাঁটা ফুসকুড়ি যুক্ত, নখগুলো মোটা হয়ে মরে যাচ্ছে। প্রায়ই হাতের নখ মোটা হয়ে মরে যাচ্ছে। প্রায়ই হাতের নখ মোটা হয়ে মরে যায়। হাতেও চর্মরোগ আছে। অতীত কষ্ট ঃ জ¦র ছিল, চর্মরোগ ছিল। বংশগত ইতিহাস ঃ বাবা- মৃত, মা- মৃত হঠাৎ করে। ৩ ভাই, ১ বোন, ২ ভাই, মৃত ৩ ছেলে, ১ মেয়ে। সুস্থ আছে। শারীরিক পরীক্ষা ঃ প্রতিদিন গোছল করে। শীতকালে গরম পানি দিয়ে গোসল করে। রোদ গরম, সহ্য, শরীর তেমন ঘামেনা। উচু বালিশে ডানকাতে বেশি ঘুমায়। স্বাস্থ্য পূর্বে (মোটা তাজা) ভাল ছিল। এখন দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। শরীরটা রাত্রে বেশি খারাপ লাগে। এপিয়ারেন্স রুগ্ন-বিমর্ষ চেহারা, শারীরিক গঠন ঃ হালকা-পাতলা, ইচ্ছা/অনিচ্ছা ঃ খাদ্য - খাবার হালকা গরম প্রিয়, লবন খায়, টক প্রিয়, ঝাল খায়, মাছ খায়, মাংস অপ্রিয়, ডিম খায়, তেতো খায়, শাক- সবজি সহ্য, দুধ সহ্য, পেটে ক্ষুধা, স্বাভাবিক তবে সহ্য হয় না। পিপাসা মাধ্যম খাওয়ার পর ১ গ্লাস পানি পান করে। পায়খানা ঃ বেশির ভাগ সময়ই শক্ত হয়। পরিষ্কার ভাবে হতে চায় না মাঝে মাঝে। প্রস্রাব ঃ বারো বাওে হয়, বেগ অসহ্য, ঠান্ডায় বেশি হয়, ডায়াবেটিস আছে। মনঃ চঞ্চল প্রকৃতির, রাগ জেদ বেশি, সহজে কমে, লোক জন, গান বাজনা প্রিয়। অন্ধকারে ভয় নেই। ঘুম ঃ তেমন হয় না, কম হয়। স্বপ্ন ঃ তেমন কিছু দেখে না। উপরোক্ত কেস হিস্ট্রির উপর পর্যালোচনা করে আমাদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের ঔষধ এর সাথে সাদৃশ করে চিকিৎসা শুরু করি এবং গত ১৪-০৪-২০০৯ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন অবস্থায় বিভিন্ন ঔষধ দিতে বাধ্য হই। পর্যায়ক্রমে উচ্চ থেকে উচ্চতর শক্তির ঔষধ দিয়ে চিকিৎসা করার পর মহেন্দ্র চন্দ্র দাস এখন সুস্থ আছেন। আমাদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় এমনি অনেক ক্রনিক ও দুরারোগ্য রোগী আরোগ্যের নজির কম নয়। মানব শরীরের চর্ম রোগের উপর বাহ্যিক ঔষধ ব্যবহার করলে রোগ আরোগ্য হয় না। সুপ্ত অবস্থায় শরীরের মধ্যে উপযুক্ত পছন্দমত স্থানে লুকায়িত থাকে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে আমাদের শরীরের ত্বকে কোন প্রকার ক্ষতের সৃষ্টি হলে তার উপর কোন বাহ্যিক ঔষধ লাগানো উচিৎ নয়। যদি আমরা বাহ্যিক ভাবে মলম, লোশন ইত্যাদি দিয়ে বাহ্যিকভাবে ত্বককে সুন্দর করি, তাহলে ত্বক সুন্দর হবে ঠিকই, কিন্তু আমাদের শত্রু ভিতরে থেকে যাবে। শত্রু ভিতরে থেকে যে ক্ষতি করবে না তার কোন গ্যারান্টি আছে কি? বর্তমানে বিশ্নের বিভিন্ন কিডনী বিশেষজ্ঞ লিভার বিশেষজ্ঞগণ স্বীকার করেছেন চর্ম রোগ চাপা পড়ার ফলে কিডনী ও লিভার এবং হার্টেও রোগের সৃষ্টি হয়। আমাদের দেশের চিকিৎসকরাও এ কথা মাঝে মাঝে বলে থাকেন। চুলকানী হাতে, পায়ে, কোমরের নিচে, হাঁটুর নিচে, আজ তাই আমার দেশবাসির কাছে অনুরোধ আপনাদের ছেলে- মেয়ে, ভাই বোন, মা-বাবা, শশুড়-শাশুড়ী ইত্যাদি যে কোন ব্যক্তির চর্মরোগ হলে মলম, লোশন ইত্যাদি থেকে বিরত থেকে নিকটস্থ অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। অথবা বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারী হাসপাতালে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক কর্মরত আছেন তাদের পরামর্শ নিন। মানুষের সামান্য ভুলের জন্য অনেক বড় ক্ষতি হতে পারে। আর এই ক্ষতির ভার পরবর্তী বংশধরদের বয়ে বেড়াতে হয়। সর্বপোরি বলতে চাই, আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে মানব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। আমরা যদি প্রত্যেক সৃষ্টির হক আদায় করি তাহলেই আমাদের মানব সমাজ সুখী হবে এবং পরবর্তী বংশধরেরা সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারবে এ পৃথিবীতে। আমরা মানুষের কল্যাণের জন্য প্রত্যেক দিনে অন্তত ১ ঘন্টা করে চিন্তা করি তাহলে আমাদের মানব সভ্যতা সুন্দর হবে। .
আসুন আমরা ডায়াবেটিস সম্পর্কে জেনে নেইঃ-
ডায়াবেটিস একটি নীরব ঘাতক ব্যাধি। ডায়াবেটিস হয়েছে জেনে আতঙ্কিত হওয়া নিষ্প্রয়োজন। আমি বলতে পারি আল্লাহর নির্দেশিত অনুশাসনের মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা ও নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপনে ডায়াবেটিস রোগের চিকিৎসা সম্ভব। হতাশাগ্রস্থ না হয়ে নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকুন এবং স্বাস্থ্যনীতি মেনে চলুন। এ নির্দেশিকা বই মনোযোগ সহকারে অধ্যয়ন করুন, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ কৌশল ভালভাবে আয়ত্ব করে এবং নিয়মাবলী যথাযথভাবে মেনে চলুন। অগ্ন্যাশয় (pancreas): ইনসুলিন নামক হরমোন উৎপাদন ও রক্তে নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে। গ্লুকোজ রূপে শর্করা রক্তের প্রবাহের মাধ্যমে প্রতিটি কোষের মধ্যে প্রবেশ করে। “ইন্ট্রাসেলুলার” আন্তঃগ্লুকোজ হচ্ছে কোষের জ্বালানী স্বরূপ যা ছাড়া কোষ কাজ সম্পাদন করতে পারে না। ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র হলে পেনক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয়ের বিটা সেল বা কোষ এ বিপর্যয় ঘটে, ফলে ইনসুলিন নামক হরমোন উৎপাদন করতে পারে না। তখন রক্তে চিনি বা শর্করার উপস্থিতি জনিত অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়। ইনসুলিনের ঘাটতিই হলো এ রোগের মূল কথা। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হরমোন ইনসুলিন, যার সহায়তায় দেহের কোষগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজকে নিতে সমর্থ হয় এবং একে শক্তির জন্য ব্যবহার করতে পারে। অগ্ন্যাশয় যদি যথেষ্ট ইনসুলিন তৈরী করতে না পারে অথবা শরীর যদি উৎপন্ন ইনসুলিন ব্যবহারে ব্যর্থ হয় তা হলে যে রোগ হয় তা হল ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ। ইনসুলিন উৎপাদন বা ইনসুলিনের কাজ করার ক্ষমতা-এর যে কোন একটি বা দুইটিই যদি না হয় তাহলে রক্তে বাড়তে থাকে গ্লুকোজ। আর একে নিয়ন্ত্রন না করা গেলে নানা রকম জটিলতা দেখা দেয়। ডায়াবেটিস (Diabetes) ইংরেজি শব্দ যার অর্থ বহুমূত্র। ডায়াবেটিস একটি হরমোন সংশ্লিট রোগ। আমাদের শরীরে ইনসুলিন নামের হরমোনের সম্পূর্ন বা আপেক্ষিক ঘাটতির কারণে বিপাকজনিত গোলযোগ সৃষ্টি হয়ে রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বৃদ্ধি পায় এবং এক সময় তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে আসে। এই সামগ্রিক অবস্থাকে ডায়াবেটিস বলে। ডায়াবেটিস ছোঁয়াচে বা সংক্রামক কোন রোগ নয়। বর্তমানে পৃথিবীর ২-৫ ভাগ লোক এ-রোগে আক্রান্ত। ২) সেকেন্ডারী ডায়াবেটিস মেলিটাস - (অ) নন প্যানক্রিয়েটিক এন্ডোক্রাইনাল ডিজঅর্ডার (আ) প্যানক্রিয়েটিক ডিজিজ। (ই) জ্যাষ্টেশনাল (গর্ভাবস্থায়) ডায়াবেটিস।(ঈ) ইন্টোজেনিক ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস আবার দুই প্রকার। যথাঃ (১) ক্রনিয়াল ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস। (২) নেক্সোজেনিক ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস। এছাড়া ব্রিটিশ ডায়াবেটিস এসোসিয়েশন কর্তৃক শ্রেণীবিভাগ -যথা- * পোটেনশিয়াল ডায়াবেটিস-ডায়াবেটিস হওয়ার পূর্বাবস্থা। * লেটেন্ট ডায়াবেটিস-পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে না। * কেমিক্যাল ডায়াবেটিস-লক্ষণ প্রকাশ পায় না, তবে পরীক্ষা করলে ধরা পড়ে। ডায়াবেটিসের কারণ :- ১) প্রধান কারণ - * সোরা * সিফিলিস * সাইকোসিস * টিউবারকুলার ডায়াথেসিস ২) আনুষঙ্গিক কারণ:- * জেনেটিক বা বংশগত কারণ। * ওজনাধ্যিকের কারণে। * শারীরিক পরিশ্রম কম করলে। * বহুদিন ধরে ষ্টেরয়েড ঔষধ ব্যবহার করলে। * জন্মের পরপরই শিশুকে গরুর দুধ খাওয়ালে। * ষ্ট্রেস বা টেনশানের কারণে। * অটোইমিউন ডিজিজ জনিত কারণে। যেমন-হাইপোথাইরোডিজম, হাইপারথাইরোডিজম,মাইক্সোডিমা প্রভৃতি। * ইনফেকশনজনিত কারণে- যেমন-রুবেলা ভাইরাস, ষ্টেফাইলো কক্কাস। * বয়স- যেমন- যেকোন বয়সে হতে পারে। প্রধানত মধ্য বয়সে এবং বার্ধক্যে অবস্থায় বেশি হয়। ৫০ বছর বয়সের পরে শতকরা ৫০ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়। * লিঙ্গ -নারী পুরুষ উভয়েই এই রোগে সমান ভাবে এই রোগে আক্রান্ত হয়। তবে অপেক্ষাকৃত কম বয়সে পুরুষরা এবং অপেক্ষাকৃত বেশি বয়সে মহিলারা বেশি আক্রান্ত হয়। * অতিরিক্ত আহার করা। * শারীরিক ও মানসিক আঘাত। * গর্ভাবস্থায় ইনসুলিন বিরোধী হরমোন সিক্রেশন অধিক পরিমানে বৃদ্ধি পেলে। *প্যানক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন সিক্রেশন করে এারূপ-সেলের সংখ্যা ব্যাপকভাবে হ্রাস পেলে রক্তের প্লাজমায় ইনসুলিনের মাত্রা অত্যন্ত কমে যায়। ফলে ডায়াবেটিস মেলিটাস দেখা যায়। ডায়াবেটিস এর শ্রেনীবিভাগ (Classification of Diabetes):ডায়াবেটিস প্রধানত দুই প্রকার। যথা- ক) ডায়াবেটিস মেলিটাস। খ) ডায়াবেটিস ইনসিপিডাস। ডায়াবেটিস মেলিটাস আবার দুই প্রকার। ১) প্রাইমারী ডায়াবেটিস মেলিটাস - (অ) ইনসুলিন ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস মেলিটাস। (আ) নন-ইনসুলিন ডিপেনডেন্ট ডায়াবেটিস মেলিটাস। ডায়াবেটিসের লক্ষণ - * বেশি প্রস্রাব হয়। * রাতে ঘুম ভেঙ্গে প্রস্রাবের প্রবণতা। * খুব বেশি পিপাসা লাগা। * অত্যন্ত ক্ষুধা, রোগী সবসময় ক্ষুধা অনুভব করে। * যথেষ্ট খাওয়া সত্ত্বেও ওজন কমে যাওয়া। * ক্লান্তি বা অবসাদ বোধ। * ক্ষত শুকাতে বিলম্ব হওয়া। * খোস পাঁচড়া, ফোঁড়া প্রভৃতি চর্মরোগ দেখা দেয়া। * যৌনাঙ্গে চর্মরোগ ও চুলকানি। * চোখে ঝাপসা দেখা। * মাথা ঘোরা। * সমস্ত শরীরে প্রচন্ড চুলকানি। * কোন কাজে উৎসাহ না পাওয়া। * গলা ও মুখ শুকিয়ে যায়। * বার্ধক্য ছাড়াই যৌনক্ষমতা ক্রমেই কমে যাওয়া। * রোগের আক্রমন সাধারনত ধীরে ধীরে হয়। কিছু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে হঠাৎ হয়। *বিছানায় প্রস্রাব করে। * কোষ্ঠবদ্ধতা বা মলশক্ত এবং ২-৩ দিন পর পর মলত্যাগ হয়। * দ্রুত শীর্ণ বা দ্রুত ওজন হ্রাস পায়। * শ্বাস-প্রশ্বাসে দুর্গন্ধ হয়। * জিহ্বা ময়লা লেপাবৃত এবং ঠোঁট ফাটা। * প্রস্রাবে গ্লুকোজ। * পালস্ এবং ব্লাড প্রেসার নিম্ন। ভাবীফল - নিয়ন্ত্রিত ও দক্ষতার সাথে চিকিৎসা করিলে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে। ডায়াবেটিস জটিল আকার ধারন করিলে এবং গর্ভাবস্থায় ১ম পর্যায়ে ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে এর ভাবীফল খারাপ। জটিলতা - (১) রক্তনালী সম্পর্কিত জটিলতা- ক) ইসকেমিক হার্ট ডিজিজ। খ) গ্যাংগ্রিন। ২) কিডনী সম্পর্কিত জটিলতা- ক) কিডনীর প্রদাহ। খ) কিডনীর আর্টারী সরু। গ) এলবুমিনুরিয়া। ৩) নিউরোলজিক্যাল সম্পর্কিত জটিলতা- ক) পেরিফেরাল নিউরাইটিস। খ) ইমপোটেন্সী গ) রাত্রে উদারাময়। ৪) পালমোনারী-ক) নিউমোনিয়া। খ) ব্রঙ্কোনিউমোনিয়া গ) টিউবারকুলোসিস। ৫) গর্ভাবস্থায় এবং নিউনেটাল সম্পর্কিত জটিলতা- ক) মিসক্যারিজ। খ) এবরশন। গ) টক্সিমিয়া অব প্রেগনেনসি। ঘ) হাইড্রোমোনিয়াম। ৬) চোখের সমস্যা- ক) ডায়াবেটিস ক্যাটার‌্যাকট। খ) রাইনাইটিস। গ) হেমোরেজ। ঘ) কনজাংটিভাইটিস। ঙ) দেখতে সমস্যা। ৭) চর্মের সমস্যা- ক) ফোড়া। খ) কার্বাঙ্কল। ৮) কোমা। ৯) মানসিক এবং সামাজিক। ১০) মাড়ীর রোগ হয়। ব্যবস্থাপনা : ঔষধ - সাদৃশ্য লক্ষনানুসারে হোমিওপ্যাথি ঔষধ যোগ্যতাসম্পূর্ন হোমিওপ্যাথ এর পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করা উচিত। উপদেশ : ক) পালনীয়/করনীয় ঃ- * রোগীকে রোগ সম্পর্কে পূর্ণ ধারণা দিতে হবে। * জীবন প্রণালী, নিদ্রা, হাঁটা-চলা এবং ব্যায়াম সম্পর্কে রোগীকে তার রোগ অবস্থার সাথে সামঞ্জস্য রেখে প্রশিক্ষণ ও উপদেশ দিতে হবে। * খাদ্য তালিকা সম্পর্কে জ্ঞান দান করতে হবে। * রোগীর সাথে সব সময় একটি ঔষধ নির্দেশক কার্ড রাখতে হবে। * রোগীর রক্তে শর্করার হ্রাসজনিত শক সম্পর্কে অবগত করতে হবে। * ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে। * প্রতি ৩ (তিন) মাস অন্তর অন্তর HbA1c পরীক্ষা করতে হবে। * প্রতি বৎসর এক বার হলেও হিমোগ্লোবিন, HbA1c , খালি পেটে ব্লাড সুগার, সকালের খাবারের পর ব্লাড সুগার, দুপুরে খাবারের ২ ঘন্টা পর ব্লাড সুগার, কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড, এলডিএল কোলেস্টেরল, এইচডিএল কোলেস্টেরল, ক্রিয়েটিনিন, প্রস্রাবের এলবুমিন, প্রোটিন, বিএমআই, খঋঞ, কঋঞ, এইঞ ইত্যাদি টেষ্ট সমূহ করিয়ে নেয়া উচিৎ। * নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। * দৈনিক নিয়মিত ৪০-৬০ মিনিট হাঁটতে হবে। * শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে। * পরিমিত শর্করা, প্রোটিন, চর্বি জাতীয় খাবার। খ) নিষেধ ঃ- * মিষ্টি, চিনি, মিষ্টি শাক-সবজি খাওয়া। * মাটির নিচে জন্মে এরূপ সবজি, যেমন-আলু। * ধুমপান, মদ্যপান এবং হোটেলের খাবার পরিপূর্ণভাবে পরিহার করতে হবে। * মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া, দুশ্চিন্তা করা। গ) পথ্য ঃ- * সবুজ শাক-সবজি খেতে দিতে হবে। * টমেটো, লেবু, শশা খেতে দিতে হবে। * পানি জাতীয় সবজি বেশি করে খেতে হবে। এতে প্রচুর ভিটামিন থাকে ও কোন সুগার থাকে না। * লাউ, কুমড়া, পটল, করলা, চিচিঙ্গা ইত্যাদি ভিটামিনের অভাব পূরণ করে।
ওভারিয়ান সিষ্ট চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির সফলতা
পৃথিবীতে নিঃশর্ত ভালবাসা একমাত্র মায়ের কাছ থেকে আশা করা যায়। মা আমরন তার সন্তানকে আগলে রাখেন নিজের স্নেহ, মায়া-মমতা ও নিঃশর্ত ভালবাসা দিয়ে। মায়ের আদর ভালবাসা জগতের সেরা তার সাথে তুলনা হয় না। আর এ কারনেই আমার মা আমার কাছে পৃথিবীর শ্রেষ্ট মানুষ। তাই মায়ের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালবাসা। মা জাতির স্থ রক্ষার জন্য সব সময় আমার চেষ্টা ছিল ভবিষ্যৎতে থাকবে ইনশাআল্লাহ। মায়েদেরও বিভিন্ন রোগ ব্যধি হয়ে থাকে। মা জাতির মাতৃত্বের সাথে যে সকল অঙ্গ প্রত্যঙ্গ জড়িত যে সকল অঙ্গ প্রতঙ্গ ছাড়া মা হওয়া যায় না তার একটি অঙ্গ ওভারী। আর এই ওভারীতে বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে। এই রোগগুলোর মধ্যে ওভারিয়ান সিষ্ট নিয়ে লেখার চেষ্টা করব যাতে ওভারী সুস্থ রাখা যায় এবং মা জাতির মা হওয়ার পথে বাঁধা সমূহ দূর হয়ে যায়।
ওভারী হল ওভাম (Ovum) উৎপাদনকারী একটি প্রজনন অঙ্গ। মেরুদন্ড প্রানীতে এটি সাধারনত একজোড়া করে থাকে। ওভারী পুরুষের টেসটিস (Testis) বা শুক্রাশয়ের সাথে সাদৃশ্যপূর্ন । এতে গোনাডস এবং এন্ডক্রাইন (Endocrine) বা অন্তঃক্ষরা উভয় প্রকার গ্রন্থিই রয়েছে।
ওভারী দেখতে অনেকটা কাজু বাদামের মত। এটার আকার দৈর্ঘ্য ৩ সে.মি, প্রস্থ্য ১.৫ সে.মি এবং পুরুত্ব ১.৫ সে.মি। ইহার অবস্থান পেলভিসের দেয়াল ঘেষে, যাকে বলা হয় ওভারিয়ান ফোসা (Ovarian Fossa). সাধারনত ফোসার (Fossa) নিচে থাকে বহিঃস্থ ইলিয়াক ধমনী এবং সামনে থাকে মূত্রনালী ও অন্তঃস্থ ইলিয়াক ধমনী। ওভারী (Ovary) ফেলোপিয়ান টিউবের ফিমব্রিয়ার সাথে যুক্ত। ওভারী থেকে প্রতিমাসে ওভাম নিঃসরন (Ovum secretion) হয়। কিন্তু কারনবশত যদি একটি ওভারী না থাকলে বা কাজ না করলে অপর ওভারীটি ওভাম নিঃসরন (Ovum secretion) চালিয়ে যেতে থাকে। ওভারী ইষ্ট্রোজেন ও প্রোজেষ্টরন উভয় প্রকার হরমোনই নিঃসরন করে। বয়ঃসন্ধির সময় এটি সেকেন্ডারী যৌন বৈশিষ্ট্যগুলো প্রকাশে ভূমিকা রাখে। প্রোজেষ্টেরন-এর কাজ হচ্ছে ইষ্ট্রোজেনের সাহায্যে এন্ডোমেট্রিয়ামের চক্রাকারে পরিবর্তন শুরু করা। এটি গর্ভধারনের জন্য এন্ডোমোট্রিয়ামকে প্রস্তত করে।
ওভারীয়ান সিষ্ট (Ovarian cysts) : ওভারিয়ান সিষ্ট হল কোষের ভিতরে তরল পদার্থ যার বাহিরের পার্শ্ব মেমব্রেন দ্বারা আবৃত থাকে। যা ওভারীর পৃষ্টের মধ্যে হয়। নারীদের দুইটি ওভারী প্রতিটির আকার ও আকৃতি কাজুবাদাম (Almond)- এর মত। যা জরায়ু (Uterus) এর দুই পাশে থাকে। ওভাম (Ovum)-এর বিকাশ ও পরিপক্কতা ওভারীর মধ্যে হয় এবং এটা নিঃসরন (Secretion) হয় মাসিক চক্রের নির্দিষ্ট সময়কালে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ওভারিয়ান সিষ্টে তেমন কোন অস্বস্থি এবং ক্ষতিকর হয় না। ওভারীয়ান সিষ্ট কয়েক মাস পর বিনা চিকিৎসায় অদৃশ্য (Disappear) হয়ে যায়। যা হোক, বিশেষ করে যদি ওভারীয়ান সিষ্ট ফেটে যায় (Ruptured) তাহলে কখনো কখনো মারাত্মক লক্ষন প্রকাশ পায়।
ওভারীয়ান সিষ্টের প্রকারভেদ (Classification of ovarian cysts) ঃ ওভারীয়ান সিষ্ট বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। যথাঃ Functional cysts । আর এই Functional cysts আবার দুই প্রকার ঃ
যথা- ১। Follicle cyst. ২। Corpus Luteum cyst.
১। Follicle cyst-নারীদের মাসিক চক্রের সময়কালে ওভারীতে যে সিস্ট জম্মায় তাকে বলা হয় Follicle. এই কোষ ওভারীর ভেতরে অবস্থান করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই Follicle or sac ভেঙ্গে Ovum নিঃসরন হয়। কিন্তু যদি Follicle না ভাঙ্গে তাহলে ওভারীর মধ্যে তরল পদার্থ (Fluid) জমা হয়ে সিষ্ট (cyst) হিসেবে প্রকাশ পায়।
২। Corpus Luteum cyst - Follicle Sacs সাধারনত ওভাম (Ovum) নিঃসরনের পরে দ্রবীভূত (Dissolve) হয়। কিন্তু যদি Sac মিশে না যায় এবং Follicle খোলার মুখ বন্ধ হয়ে যায় তাহলে অতিরিক্ত তরল পদার্থ কোষের মধ্যে বিকাশিত হয় ইহাকে Corpus luteum cyst বলা হয়।
অন্য ধরনের ওভারীয়ান সিস্ট -
* Dermoid cyst-এইধরনের সিষ্ট শরীরের অন্যান্য অঙ্গের টিস্যুর সাথে সাদৃশ্য হয়ে থাকে। যেমন-ত্বক, চুল এবং দাঁত ইত্যাদি।
* Cystadenomas cyst-এই সিষ্ট ওভারীর পৃষ্টের উপরের কোষে গঠিত হয়। ইহা প্রায়ই তরল পদার্থে পরিপূর্ন থাকে।
* Endometriomas cyst or Chocolate cyst-এই টিস্যু সাধারনত জরায়ুর ভেতরের জন্মায় এর জরায়ুর বাহিরে ওভারীর সাথে সংযুক্ত হয়ে বিকাশিত হয়।
কিছু কিছু নারীদের ওভারীর মধ্যে অসংখ্য ছোট সিষ্ট বিকাশ (Develop) লাভ করাকে Polycystic Ovary syndrome বলা হয়। এই অবস্থাকে বুঝায় যে ওভারীতে রয়েছে অধিক সংখ্যক ছোট সিষ্ট, আর এই কারণে ওভারী বড় বা ইনলার্জ (Enlarge) হয় এবং এই Polycystic এর করনে বন্ধাত্ব হতে পারে।
ওভারী সিস্টের কারণ (Causes of ovarian): অধিকাংশ ক্ষেত্রে ওভারিয়ান সিষ্ট মাসিক চক্রের (Menstrual cycle) স্বাভাবিক কার্যের জন্য বিকাশ লাভ করে যা (Functional cyst) নামে পরিচিত হয়। অন্য ধরনের সিষ্ট তেমন প্রচলিত না।
ওভারিয়ান সিষ্টের অধিক প্রচলিত কারণ হল-
* হরমোনাল সমস্যা (Hormonal problems ) অথবা ঔষধ দ্বারা ওভাম উৎপাদনের কারণে।
* এন্ডমেট্রিওসিস (Endometriosis)- Endometriosis tissue ওভারীর সাথে সংযুক্ত হয়ে সিষ্ট গঠন করে। এই সিস্টের ফলে যৌনমিলনের সময়কালে বেদনাদায়ক হতে পারে।
* প্রেগন্যান্সি (Pregnancy )- ওভারিয়ান সিস্ট সাধারনত বিকাশ লাভ করে Early pregnancy -তে যা Placenta গঠন পর্যন্ত Paregancy-তে সাহায্য করে। কখনো কখনো সিস্ট গর্ভাবস্থার পরেও ওভারিতে অবস্থান করে থাকে এক্ষেত্রে অপসারন (Removed) করার প্রয়োজন হতে পারে।
* Severe pelvic infection - সিস্টের কারণে ওভারিয়ান ও ফেলোপিয়ান টিউবের ইনফেকশন ছড়াতে পারে।
* Chronic Inflammatory conditions.
* Genetic (Inherited) conditions.
ওভারিয়ান সিস্টের ক্লিনিক্যাল ফিচারঃ ওভারিয়ান সিস্টের কারণে যেসব লক্ষন দেখা যায় তা নিম্নরূপ ঃ
* পেটফোলা (Abdominal bloating or swelling)
* পেলভিকে ব্যথা মাসিক চক্রের আগে ও সময়। (Pelvic pain before or duming the menstrual cycle)
* সহবাস বেদনাদায়ক (Painful intercourse).
* পিছনে নিম্নপ্রদেশে ও উরুতে ব্যথা।
* বমি বমি ভাব বা বমি (Nausea and vomiting).
* ক্ষুধামন্দা। * তীব্র পেলভিক ব্যথা (Severe pelvic pain). * জ্বর (Fever). * মাথাব্যথা (Dizziness). * দ্রুত শ্বাস প্রশ্বাস (Rapid breathing). * পেট পূর্নতা ও ভারবোধ। * অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি। * অস্বাভাবিক ভ্যাজাইনাল ব্লিডিং। * ঘন ঘন প্রস্রাব। * বদহজম (Indigestion).
জটিলতা (Complication) :
অধিকাংশ ওভারিয়ান সিষ্ট বিনাইন (Benign) এবং বিনা চিকিৎসায় প্রাকৃতিকভাবে নিজে নিজে সেরে যায়। এই ধরনের সিষ্টের কারণে অল্প সংখ্যক লক্ষন দেখা দেয়। কিন্তু দুর্লভ ক্ষেত্রে, নিয়মিত পরীক্ষার সময় সিষ্টিক ওভারিয়ান পিন্ড (Mass) সনাক্ত করতে পারে। ওভারিয়ান সিস্টের ক্ষেত্রে অন্য আরেকটি দূর্লভ (Rare) জটিলতা হল ওভারিয়ান টরসন (Torson)| এটার কারণে ওভারিয়ান টিস্যুগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয় অথবা মারাও যেতে পারে। আবার সিষ্ট যদি ফেটে যায় তাহলে এটার কারণে তীব্র ব্যথা এবং অভ্যন্তরীন রক্তপাত হতে পারে। এটার ফলে ইনফেকশনের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে এবং যদি চিকিৎসা নিতে দেরী করে তাহলে জীবন হুমকির দিকে যেতে পারে।
রোগানুসন্ধান (Investigation)-
* Blood for CBC *Urine RME,C/S * Stool RME C/S *CEA * CA-125 * USG-of W/A * CT scan * MRI
চিকিৎসা (Treatment):(A) ঔষধ (Medicine)-লক্ষণ সাদৃশ্য হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে।
(B) উপদেশ (Adcice) : i) করনীয়ঃ * মাসিক ঋতুস্রাবের তারিখ মনে রাখতে হবে। * নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা করাতে হবে। * মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হলে ও DUB থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। * তীব্র ব্যথা অনুভব করলে গরম স্যাঁক দিতে হবে। * বিশ্রামে থাকতে হবে। * শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রন রাখতে হবে।
ii) নিষেধঃ- * ভারীকাজ বা কঠোর পরিশ্রম করা। * অতিরিক্ত ভ্রমন করা। * চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা। * চর্বি জাতীয় খাবার খাওয়া। * দীর্ঘদিন জন্মনিয়ন্ত্রন পিল খাওয়া।
iii) পথ্য (Diet):- * সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহন করা উচিত। * সবুজ ফল ও মূল শাকসব্জি খেতে দিতে হবে। *হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ওভারিয়ান সিষ্ট আরোগ্যকৃত রোগীর কেইস হিষ্টরি তুলে ধরা হলঃ
নামঃ অনিতা পাল, বয়স-৪৯ বৎসর, আই ডি নং বি-২২৬২৪। পেশা-গৃহিনী, স্বামী- চন্দ্র পাল। ঠিকানা-তেজকুনী পাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা। সে প্রাই দুই বৎসর যাবৎ ওভারীয়ান সিস্টে ভুগছিলেন। MRI Report-Left ovarian cyst endometriosis. আর Ultrasonogram-এ ও Left ovarian cyst দেখা যায়। বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়ে তেমন কোন উপকার না পেয়ে চিকিৎসার জন্য এসেন্স হোমিওপ্যাথি মেডিকেল সেন্টারে আসে। সে এখান থেকে দীর্ঘদিন চিকিৎসা গ্রহণ করার পর এখন সুস্থ। তার ওভারীতে কোন সিষ্ট নেই, TVS report normal এসেছে। সে এখন কোন ব্যথা অনুভব করে না। সুস্থ আছেন।

২। নামঃ হেনা, বয়স-৩৭ বৎসর, আই ডি নং বি-১৪৬৪১। পেশা-গৃহিনী, স্বামী- গাফ্‌ফার। ঠিকানা-ওয়ারলেস গেইট, মহাখালী, ঢাকা। সে প্রায় ৫ বৎসর যাবত ওভারীয়ান সিস্টে ভুগছিল। দেশের বিভিন্ন চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নিয়ে কোন সুফল না পেয়ে এসেন্স হোমেওপ্যাথি মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসার জন্য আসেন। দীর্ঘদিন চিকিৎসা গ্রহণ করার পর Ultrasonogram Report normal আসছে | তার কোন সিস্ট নেই এবং সে সম্পূর্ন সুস্থ ও স্বাভাবিক আছে। এই হিষ্টরি দ্বারা বোঝা যায় যে, বিনা অপারেশনেও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ওভারিয়ান সিষ্ট আরোগ্য হয়।
অপরূপ সুন্দর মহিমায় সৃষ্টিকর্তা নারী জাতিকে সৃষ্টি করেছে। সৃষ্টিকর্তা সৃষ্টিগতভাবেই নারী জাতি অর্থাৎ মা জাতিকে দয়া মায়া, মমতা , কষ্টসহ্য করার ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি দিয়েছেন, কেন না গর্ভধারন থেকে শুরু করে প্রসব বেদনা পর্যন্ত অবর্নণীয় কষ্ট সহ্য করতে হয় শুধুমাত্র মাকে। এখানেই শেষ নয়, শিশু ভূমিষ্ট হওয়ার পর থেকে লালন পালনেও মায়ের ভূমিকাই বেশি থাকে। তাই প্রতিটি মানুষের উচিত মায়ের কষ্টের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং মায়েদের স্বাস্থ্যের দিকে বিশেষ যত্নবান হওয়া। সামান্য অসুস্থতা দেখা দেওয়ার সাথে সাথে অবহেলা না করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে তাকে সুস্থ করে তোলা। আমরা মা জাতিকে সুস্থ রাখতে পারলে আমরা সুস্থ শিশু পাবো, প্রতিটি পরিবার যদি সুস্থ শিশু পায় তাহলে সমাজ পাবে সুস্থ মানুষ আর রাষ্ট্র পাবে সুস্থ জাতি। এইভাবে আমরা সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী গড়তে সক্ষম হব ইনশা‌আল্লাহ।
খাদ্যে বিষক্রিয়া (ফুড পয়জননিং)-এর মারাত্মক ঝুঁকিতে মানবজীবন
বর্তমানে খাদ্যের গুনগতমান একেবারেই শূন্যের কোটায়। প্রচলিত বাজারের খাদ্যের দিকে তাকালেই প্রতীয়মান হয় যেমন- মাছে ফরমালিন, সবজিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক, ফলে গ্রোথ হরমোন ও এন্টিবায়োটিক স্প্রে করা যাহার কারণে কিডনী ফেলিউর, লিভার সিরোসিস, ফুসফুস ক্যানসার, ব্রঙ্ককাইটিস, এ্যাজমা, স্কিন এলার্জি জাতীয় মারাত্মক দূরারোগ্য ব্যাধিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। তাই বিশ্বের শিক্ষিত ও সচেতন মানুষ রোগ ব্যাধির কথা চিন্তা করে বিষমুক্ত খাদ্যের (অর্গানিক ফুড) প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে। এটা এখন সময়ের দাবী প্রতিটি মানুষের উচিত বিষমুক্ত খাদ্য (অর্গানিক ফুড) খাওয়া। সকলের জন্য অর্গানিক ফুড এর ব্যবস্থা করতে পারলে খাদ্যে বিষক্রিয়া সংক্রান্ত রোগ বহুলাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।
অর্গানিক ফুড হচ্ছে জৈব খাদ্য যা বিশুদ্ধতার রীতিতে রাসায়নিক সার, কীটনাশক ছাড়াই উৎপাদন করা হয়। যা ভোক্তার কাছে সংরক্ষণ পদার্থ (Preservatives) এবং কৃত্রিম খাদ্যের মূলশক্তি সংযুক্ত ছাড়াই বিক্রয় করা হয়। স্বাস্থ্য পরামর্শকরা বিশ্বাস করেন যে, জৈবিকভাবে উৎপাদিত খাদ্য বিকল্প স্বাস্থ্য সেবামূলক ব্যবস্থা যা নিরাপদ ও অধিক পুষ্টিগুন সম্পূর্ণ। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত অর্গানিক ফুড খাওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া। যে সকল খাদ্য উৎপাদনে কীটনাশক, এ্যান্টিবায়োটিক, রাসায়নিক সার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয় এই সকল খাদ্য গ্রহনের ফলে মানব শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ আস্তে আস্তে রোগগ্রস্ত হয়ে পড়ে। কোন খাদ্যে সংক্রামক রোগ জীবানু বংশবৃদ্ধি করে খাদ্যকে বিষাক্ত করে এবং সেই বিষাক্ত খাদ্য গ্রহণ করার পর যে সকল রোগ লক্ষন প্রকাশ পায় তাহাকে খাদ্যে বিষক্রিয়া (Food Poisoning) বলে। খাদ্য বিষক্রিয়া হল এক ধরনের অসুস্থতা যা দূষিত খাবার খাওয়ার কারণে হয়। এই রোগ আপাতদৃষ্টিতে গুরুতর নয় এবং অধিকাংশ মানুষ কিছুদিনের মধ্যে বিনা চিকিৎসায় ভাল হয়ে যায় কিন্তুু মানব শরীরে এর সু-দর প্রসারী ক্ষতিকারক প্রভাব থাকে। খাদ্য বিষক্রিয়া করে এমন ব্যাকটেরিয়া- ই-কোলাই, সালমোনেলা, সিগালা, ভিব্রিও কলেরী, ব্যাসিলাস, ভাইরাস- নরোভাইরাস, রোটাভাইরাস এবং কিছু কিছু প্যারাসাইটের টক্সিন যাহা মানবশরীরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে এবং পরবর্তিতে যাহা গুপ্ত ঘাতক হিসেবে কাজ করে।
খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণ (Causes of Food Poisoning) ঃ-
A. প্রধান কারণ ঃ- * সোরা (Psora).
B. আনুষঙ্গিক কারণ ঃ-
* সংক্রামক জীবানু যেমন-ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং প্যারাসাইটস প্রভৃতি।
* খাদ্য প্রস্তুুতের সময় হাত ভাল করে না ধোঁয়ার কারণে। * রান্নার আসবাবপত্র, কাটিংবোর্ড এবং অন্যান্য সরঞ্জাম সম্পূর্নভাবে পরিস্কার না করে খাদ্য প্রস্তুুত করার কারণে। * হিমায়িত বা ফ্রিজের খাবার উপযু্‌ক্ত তাপমাত্রায় সংরক্ষন না করার কারণে। * ফ্রিজের খাবার উপযুক্ত তাপমাত্রায় গরম না করার ফলে। * কাঁচা ফলমূল শাকসবজি ভালভাবে ধৌত না করার কারণে। * যে সকল খাবার কাঁচা খাওয়া হয় সেগুলোকে কাঁচা মাছ মাংসের সংষ্পর্শে রাখার ফলে। * খাদ্য সঠিকভাবে রান্না না করা। * মুদির দোকান, রেষ্টুরেন্ট বা বাড়িতে নিরাপদভাবে খাবার প্রস্তুত না করার কারণে। * আক্রান্ত ব্যক্তি খাবার তৈরী বা পরিবেশন করলে। * অনুপযুক্তভাবে প্রস্তুুতকৃত খাবার খাওয়ার ফলে। * খাদ্য প্রস্তুুত করার সময় ¯^vস্থ¨wewa মেনে না চলার কারণে। * ভ্রমনে পানি পান করা অথবা কাঁচা খাবার খাওয়ার কারণে। * পিতল বা কাসার পাত্রে বেশি সময় খাদ্য রেখে খেলে। * টিকটিকি, আরশোলা, ইঁদুর প্রভৃতির কারণে। * বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ। খাদ্যে বিষ ক্রিয়ার লক্ষণ (Symptoms of Food Poisoning) * অসুস্থতাবোধ। * বমি বমি ভাব বা বমি হয়। * ডায়রিয়া, সাথে রক্ত বা শ্লেষ্মা থাকতে পারে। * পেট ফাঁকা এবং পেট ব্যথা। * শারীরিক দুর্বলতা। * শক্তির অভাব। * ক্ষুধামান্দ্য। * শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া। * পেটে ক্র্যাম্প হয়। * অল্প বা সামান্য জ্বর। * মাথাব্যথা। * পানিশূন্যতা। * রক্ত বমি হতে পারে। * ঝাপসা দৃষ্টি। * সমস্ত শরীরে জ্বালাপোড়া। * শরীরে ঘাম। * অত্যাধিক মুখলালাস্রাব। * মানসিক বিভ্রান্তি। * পেশীর দুর্বলতা। * গিলতে কষ্ট হয়। * লিভার ও কিডনীর সমস্যা। * নাড়ীর গতি ক্ষীন হয়। জঠিলতা (Complication) ঃ- * এনিমিয়া (Aneamia) * বিরক্তিকর পেটের সমস্যা (IBS-Irritable Bowel syndrome). * কিডনি ফেলিউর। * আর্থ্রাইটিস। * পেরিকার্ডিয়াটিস। * গর্ভপাত (Miscarriage) * Hemolytic uremic Syndrome. * রক্তযুক্ত ডায়রিয়া। রোগানুসন্ধান (Investigation) * Blood-CBC. * LFT. * KFT. * USG of W/A. * Stool-RME C/S * Urine RME C/S. প্রতিরোধ (Prevention): খাদ্য বিষক্রিয়া এড়ানোর জন্য সবচেয়ে ভাল উপায় হল খাদ্য সংরক্ষণের, নাড়াচাড়া এবং প্রস্তুুত করার সময় উচ্চমাত্রার ¯^vস্থ¨wewa বজায় রাখা। এছাড়া কিছু প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে নিম্নে দেওয়া হল- * টয়লেট ব্যবহারের পর, খাদ্য প্রস্তুুত করার আগে, কাঁচা খাদ্য পরিচালনার পর, খাবারের আগে নিয়মিত সাবান বা গরম পানি দিয়ে হাত ধোঁয়া উচিত। * আক্রান্ত ব্যক্তি খাবার প্রস্তুুত বা পরিবেশন থেকে বিরত থাকতে হবে। * রান্না করার আগে খাবার ভালভাবে পরিস্কার করে নিতে হবে। * কাঁচা খাবার এবং রান্না করা খাবার আলাদাভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। * কাঁচা খাদ্য প্রস্তুুত করার আগে খাবার, চুরি, চপিং বোর্ড ও আসবাবপত্র ভালভাবে ধুঁয়ে নিতে হবে। * রান্নাঘর পুঙ্খানুপুঙ্খাভাবে পরিস্কার করতে হবে। * প্যাকেটজাত খাবার মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে ব্যবহার করবেন না। * বন্য মাশরুম খাবেন না। * নরম পনির খাওয়া যাবে না। বিশেষ করে আমদানি করা পনির। * অপরিশুদ্ধ বা কলের পানি পান করা উচিত নয়। * ভ্রমন করার সময় কাঁচা ফল বা শাকসবজি খাওয়া উচিত নয়। * খাদ্য সঠিক তাপমাত্রায় রাখতে হবে। * অপ্রাস্তুুরিত দুধ, পনির এবং জুস খাওয়া নিষেধ। * খাবার উপযুক্ত উপায়ে সংরক্ষণ করতে হবে। ব্যবস্থাপনা (Management) ঃ- A) ঔষধ (Medicine) ঃ- সাদৃশ্য লক্ষণ অনুসারে নিম্নলিখিত ঔষধগুলো যোগ্যতাসম্পন্ন হোমিওপ্যাথ এর পরামর্শ নিয়ে গ্রহণ করা উচিত। যেমন-পালসোটিলা (Pulsatila), লাইকোপোডিয়াম (Lycopodium), চায়না (China), নাক্স ভমিকা (Nux-Vomica), আর্টিকা ইউরেন্স (Urtica Urens), ইপিকাক (Ipecac), ফসফরাস (Phosphorus), ভিরেট্রাম এলবাম (Veratrum album). B) উপদেশ (Advice) ঃ- i) পালনীয়/করনীয় (Should Do) ঃ- * পূর্নাঙ্গ বিশ্রামে থাকতে হবে। * পঁচা, বাসি খাবার খাবেন না। * খাওয়ার আগে কাঁচা শাকসবজি ভাল করে ধৌত করতে হবে। ii) নিষেধ (Avoid) ঃ- * এলাকোহল বা মদ্যপান। * চা, কফি (ক্যাফেইন), গ্যাস মেশানো পানীয়। * ধুমপান বা তামাক চিবানো। * ঠান্ডা পানীয়। iii) পথ্য (Diet) ঃ- * সহজপাচ্য পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। * চর্বিহীন মাছ মাংশ খেতে হবে।
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede ?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Aenean commodo ligula eget dolor massa?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec?
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Maecenas tempus, tellus eget condimentum rhoncus, sem quam semper libero, sit amet adipiscing sem neque sed ipsum. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.

Technical Support (5)

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer?
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit. Aenean commodo ligula eget dolor. Aenean massa. Cum sociis natoque penatibus et magnis dis parturient montes, nascetur ridiculus mus. Donec quam felis, ultricies nec, pellentesque eu, pretium quis, sem. Nulla consequat massa quis enim. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt.
Aenean commodo ligula eget dolor massa?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec?
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Maecenas tempus, tellus eget condimentum rhoncus, sem quam semper libero, sit amet adipiscing sem neque sed ipsum. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenat?
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit. Aenean commodo ligula eget dolor. Aenean massa. Cum sociis natoque penatibus et magnis dis parturient montes, nascetur ridiculus mus. Donec quam felis, ultricies nec, pellentesque eu, pretium quis, sem. Nulla consequat massa quis enim. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt.
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede ?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Aenean commodo ligula eget dolor massa?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec?
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Maecenas tempus, tellus eget condimentum rhoncus, sem quam semper libero, sit amet adipiscing sem neque sed ipsum. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.

Refund Policy (5)

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer?
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit. Aenean commodo ligula eget dolor. Aenean massa. Cum sociis natoque penatibus et magnis dis parturient montes, nascetur ridiculus mus. Donec quam felis, ultricies nec, pellentesque eu, pretium quis, sem. Nulla consequat massa quis enim. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt.
Aenean commodo ligula eget dolor massa?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec?
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Maecenas tempus, tellus eget condimentum rhoncus, sem quam semper libero, sit amet adipiscing sem neque sed ipsum. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis?
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit. Aenean commodo ligula eget dolor. Aenean massa. Cum sociis natoque penatibus et magnis dis parturient montes, nascetur ridiculus mus. Donec quam felis, ultricies nec, pellentesque eu, pretium quis, sem. Nulla consequat massa quis enim. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt.
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede ?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Aenean commodo ligula eget dolor massa?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec?
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Maecenas tempus, tellus eget condimentum rhoncus, sem quam semper libero, sit amet adipiscing sem neque sed ipsum. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.

Client Requirements (5)

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer?
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit. Aenean commodo ligula eget dolor. Aenean massa. Cum sociis natoque penatibus et magnis dis parturient montes, nascetur ridiculus mus. Donec quam felis, ultricies nec, pellentesque eu, pretium quis, sem. Nulla consequat massa quis enim. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt.
Aenean commodo ligula eget dolor massa?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec?
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Maecenas tempus, tellus eget condimentum rhoncus, sem quam semper libero, sit amet adipiscing sem neque sed ipsum. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis?
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit. Aenean commodo ligula eget dolor. Aenean massa. Cum sociis natoque penatibus et magnis dis parturient montes, nascetur ridiculus mus. Donec quam felis, ultricies nec, pellentesque eu, pretium quis, sem. Nulla consequat massa quis enim. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt.
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede ?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Aenean commodo ligula eget dolor massa?
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.
Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec?
Nam eget dui. Etiam rhoncus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Maecenas tempus, tellus eget condimentum rhoncus, sem quam semper libero, sit amet adipiscing sem neque sed ipsum. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus. Donec pede justo, fringilla vel, aliquet nec, vulputate eget, arcu. In enim justo, rhoncus ut, imperdiet a, venenatis vitae, justo. Nullam dictum felis eu pede mollis pretium. Integer tincidunt. Cras dapibus. Vivamus elementum semper nisi. Aenean vulputate eleifend tellus.

আপনার প্রশ্ন ও উত্তর এই তালিকায় নেই??

কোন চিন্তা নেই, মেইল করুন আমাদেরকে, আপনাকে সঠিক তথ্য সরবরাহে আমরা বদ্ধপরিকর।